Posts

শিক্ষার উপর প্রযুক্তির প্রভাব

Image
    শিক্ষা ও প্রযুক্তি দুটিই আমাদের জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। প্রাচীনযুগ থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষার উপর প্রযুক্তির প্রভাব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে বিস্তার লাভ করেছে। তবে সুফল এবং কুফল আমরা দুটিই পেয়েছি। চলুন আজ তাহলে কথা বলি শিক্ষার উপর প্রযুক্তির প্রভাব কীভাবে পড়ছে।   শিক্ষা আমাদের জীবনের একটি মূল্যবান অংশ। তার সাথে সাথে প্রযুক্তি ছাড়া আমাদের জীবন ১ সেকেন্ডও চলে না।  প্রথমেই জেনে নেই শিক্ষার উপর প্রযুক্তির সুফল প্রভাব :-   ১. শিক্ষার মান বৃদ্ধি হয়েছে।   ২. পড়াশুনার সু্যোগ সুবিধা বৃদ্ধি হয়েছে।   ৩. Online Group Study - এর সুবিধা।   ৪. সহজে বিশ্বের  যেকোন বই পড়া যায়।    ৫. সহজেই বিভিন্ন প্রশ্ন পত্রের সমাধান ও সাজেশন  বের করা সম্ভব হয়।   ৬. ই - লার্নিং এর সুবিধা রয়েছে।   ৭. ই - লার্নিং এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে পড়াশোনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ বৃদ্ধি পেয়েছে।   সুফল থাকলেও কিছু কুফল দিক রয়েছে আসুন জেনে নিই :-   ১.  অতিরিক্ত Device এর কারণে পড়াশোনার প্রতি মমনোযোগ থাকেনা ...

পাঠাগারে সুফল পাচ্ছে শতাধিক শিক্ষার্থী

Image
  জ্ঞান অর্জনের জন্য আমরা বই পড়ি। মনের খোরাক মেটানোর জন্য বই পড়ি। এর জন্য চাই হরেকরকম বইয়ের সমাহার। সেইসঙ্গে চাই নিরিবিলি পরিবেশ। এ কারণেই গড়ে ওঠে পাঠাগার। কিন্তু বাস্তবিকভাবে আমাদের দেশে এখনো সেভাবে পাঠাগার গড়ে ওঠেনি। প্রয়োজনের তুলনায় মানসম্মত পাঠাগারের সংখ্যা বাড়েনি। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে পাঠাগার নেই বললেই চলে। পাঠ্যপুস্তকের বাইরের বই পড়া থেকে গ্রামাঞ্চলের শিশু-কিশোররা একপ্রকার বঞ্চিতই বটে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণে শিশু-কিশোরদের হাতে বই তুলে দিতে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল খালিশা বেলপুকুর গ্রামে গড়ে উঠেছে সেতুবন্ধন পাঠাগার। পাখি ও প্রকৃতি সুরক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেতুবন্ধনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এ পাঠাগার। নবনির্মিত এ পাঠাগারকে ঘিরে এখন বই পড়ার আনন্দে মেতেছে খালিশা বেলপুকুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী। তিন শতক জমির ওপর টিনের ছাউনির এ পাঠাগারে শোভা পেয়েছে ছয় শতাধিক বই। ধর্মীয়, সাহিত্য ও বিজ্ঞানসম্মত এসব বই দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রহ করে আসছে সেতুবন্ধন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। এসব বই সংগ্রহের পেছনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দ...

মানসিক চাপ কমতে প্রতিদিন বই পড়ুন

বই পড়লে যেমন জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়ে, ঠিক তেমন করে শরীর সুস্থ রাখতেও এই অভ্যাস দারুনভাবে সাহায্য করে থাকে। তাই নিয়মিত ১ ঘন্টা করে বই পড়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। বই পড়ার সময় আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে বেশ কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে একাধিক রোগ দূরে পালাতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকারিতাও। আপাত দৃষ্টিতে কথাটা বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হয় ঠিকই। কিন্তু এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে বই এবং শরীরের মধ্যকার সম্পর্ক অনেক গভীর। যে কারণে বই পরলে তার সুফল শরীরের উপরও পরে। স্ট্রেস কমতে শুরু করে: পরিসংখ্যান বলছে আজকের যুগে যেসব রোগে নতুন প্রজন্ম বেশি মাত্রায় ভুগছে, তার বেশিরভাগের সঙ্গেই মানসিক চাপের সরাসরি যোগ রয়েছে। আর বই পড়ার অভ্যাস এমন ধরনের সমস্যাকে কমাতে দারুন কাজে আসে। কীভাবে এমনটা হয়? একাধিক কেস স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়েছে যে বই পড়ার সময় মন খুব শান্ত হয়ে যায়, যেমনটা প্রাণায়াম করার সময় হয়ে থাকে। ফলে মানসিক চাপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হার্টের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক প্রভৃতি মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই তো ঘুমতে যাওয়ার আগে প...

বইয়ের বোঝা বনাম বিদ্যার বোঝা

অতিরিক্ত কোনকিছুই ভাল নয়; তা সে যত ভাল জিনিস বা বিষয়ই হোক না কেন। সে হিসেবে বইয়ের বোঝা বাড়াবাড়ি রকমে বেড়ে যাওয়া যেমন খারাপ, একইভাবে বিদ্যার বোঝা বাড়াটাও খারাপের পর্যায়ে ফেলতে হয়। কিন্তু আমাদের শিক্ষার যে মানের সঙ্গে আমরা পরিচিত, সেখানে বিদ্যার বোঝা বাড়াটা নেতিবাচক অর্থে দেখার সুযোগ নেই। বিদ্যাশিক্ষায় আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অর্জন আছে, কিন্তু গুণগত শিক্ষার প্রশ্নে ঘাটতিও রয়েছে সীমাহীন। সুতরাং এ লেখায় বিদ্যার বোঝাকে ইতিবাচক হিসেবে ধরা হবে। মূল আলোচনা বইয়ের বোঝা নিয়ে। বই মানুষকে আলোকিত করে, বই মানুষকে নতুন জীবনের সন্ধান দেয়, বই মনের খোরাক যোগাড়- ইত্যাদি নানা কথাবার্তার সঙ্গে আমরা পরিচিত। এসব বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশের সুযোগও কম। কিন্তু বই যখন আনন্দের উপকরণ না হয়ে বাধ্যতামূলক উপকরণ হয়ে যায়, তখন তা আর মানুষকে টানতে পারে না। এটি শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সবার জন্যই প্রযোজ্য। একজন ব্যক্তি নিজের আনন্দের জন্য প্রতিনিয়ত গল্প-উপন্যাস পড়তে পারেন; কিন্তু তাকে বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট বই পড়তে বাধ্য করা হয় এবং তারপর সেগুলোর ওপর প্রশ্নটশ্ন করে পরীক্ষা নেয়া হয়, সেই গল্...

বই পড়ার কৌশল

প্রত্যেকটি কাজ করার বিভিন্ন কার্যকরি পদ্ধতি থাকে। এই পদ্ধতিগুলো মানুষ তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞা থেকে শেখে। কিন্তু সব পদ্ধতিই যে কারর্যকরি হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আর এই কারণেই প্রত্যেক ফিল্ডেই সফলতা এবং ব্যর্থতা আছে। বই মানুষের এমন এক সঙ্গী যে কোনো অভিযোগ করে নাঃ; হতাশ ব্যক্তির জন্য আশার আলো জ্বেলে দেয় বই, গাফেল ব্যক্তির মনে চিন্তার খোরক যোগায়, জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য বোঝায়। বইয়ের কোনো চাওয়া পাওয়া নেই, এর আবদার কেবলে এতটুকুই- পাঠক যেন তার থেকে উপকৃত হয়। কিন্তু বই থেকে উপকৃত হওয়া ব্যক্তিভেদে পার্থক্য করে। এটা নির্ভর করছে আপনি কেন বই পড়ছেন, কোন পদ্ধতিতে বই পড়ছেন এবং পড়ার পর কী করছেন- এর ওপরে। বই পড়ারো অনেক কৌশল আছে। নিম্নে কিছু কার্যকরি পদ্ধতি আলোচনা করা হলো: ১/ প্রস্তুতিমূলক অধ্যয়ন: প্রস্তুতিমূলক এবং বৈষয়িক অবকাঠামোগত অধ্যয়ন। বইয়ের নাম, সূচিপত্র, কোন অধ্যায়ে কী আলোচিত হয়েছে, প্রবন্ধগুলির শিরোনাম ও উপশিরোনামগুলো কী কী, ব্যবহারিক টিপস, পরিশিষ্ট- এসবে হালকাভাবে নজর বুলিয়ে নিন। এতে আপনার স্মৃতিতে পুরো বইটির বিষয়-কাঠামোর একটি মাইন্ড-ম্যাপ তৈরি হবে। ২/ বিস্তারিত অধ্যয়ন: সম্পূর্ণ বা সবিস্তা...

শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন বই পড়ুন

বই পড়লে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়বে সে বিষয় তো কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে শরীর সুস্থ রাখতেও এই অভ্যাস দারুনভাবে সাহায্য করে। কীভাবে? সেই উত্তর পতে গেলে যে চোখ রাখতে হবে বাকি প্রবন্ধে। আপাত দৃষ্টিতে কথাটা বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হয় ঠিকই। কিন্তু এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে বই এবং শরীরের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণেই বই পরলে তার সুফল শরীরের উপরও পরে। কীভাবে এই ঘটনাটা ঘটে থাকে, সে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হল। ১. নিমেষে স্ট্রেস কমে যায়: পরিসংখ্যান বলছে আজকের জেট যুগে যেসব রোগে নতুন প্রজন্ম বেশি মাত্রায় ভুগছে, তার বেশিরভাগের সঙ্গেই মানসিক চাপের সরাসরি যোগ রয়েছে। আর বই পড়ার অভ্যাস এমন ধরনের সমস্যাকে কমাতে দারুন কাজে আসে। কীভাবে এমনটা হয়? একাধিক কেস স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়েছে যে বই পড়ার সময় মন খুব শান্ত হয়ে যায়, যেমনটা প্রাণায়ম করার সময় হয়ে থাকে। ফলে মানসিক চাপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হার্টের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক প্রভৃতি মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই তো ঘুমতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা পছন্দের যে কোনও বই পড়ার অভ্যা...

শরীর সুস্থ রাখতে বই পড়ুন

বই পড়লে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়বে সে বিষয় তো কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে শরীর সুস্থ রাখতেও এই অভ্যাস দারুনভাবে সাহায্য করে থাকে। তাই তো নিয়মিত এক ঘন্টা করে বই পড়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আসলে বই পড়ার সময় আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে বেশ কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে একাধিক রোগ দূরে পালাতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকারিতাও। বলেন কী এসব, শরীর সুস্থ থাকবে বই পড়লে! কীভাবে? আপাত দৃষ্টিতে কথাটা বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হয় ঠিকই। কিন্তু এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে বই এবং শরীরের মধ্যকার সম্পর্ক বেজায় গভীর। যে কারণে বই পরলে তার সুফল শরীরের উপরও পরে। এই যেমন- ১. বই পড়া মানসিক স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে: পরিসংখ্যান বলছে আজকের আধুনিক যুগে যেসব রোগে নতুন প্রজন্ম বেশি মাত্রায় ভুগছে, তার বেশিরভাগের সঙ্গেই মানসিক চাপের সরাসরি যোগ রয়েছে। আর বই পড়ার অভ্যাস এমন ধরনের সমস্যাকে কমাতে দারুন কাজে আসে। একাধিক কেস স্টাডিতে একথা প্রমাণিত হয়েছে যে বই পড়ার সময় মন খুব শান্ত হয়ে যায়, যেমনটা প্রার্থনা করার সময় হয়ে থাকে। ফলে মানসিক চাপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হার্টের রে...