Posts

Showing posts from May, 2019

পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা

পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা সূচনাঃ  মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব।তার অনন্ত জিজ্ঞাসা,অসীম কৌতুহল।তার এই সকল প্রশ্নের সমাধান আর অন্তহীন জ্ঞান ধরে রাখে বই।শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে মানুষের সকল জ্ঞান জমা হয়ে রয়েছে বইয়ের ভেতর।অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হলো বই,আর সেই বইয়ের আবাসস্থল হলো পাঠাগার।মানুষের হাজার বছরের ইতিহাস পুঞ্জিভূত হয়ে রয়েছে পাঠাগারের একেকটি তাঁকের ভেতর।পাঠাগার হলো সময়ের খেয়াঘাট,যার মাধ্যমে মানুষ সময়ের পাতায় ভ্রমণ করতে পারে।এই বইয়ের ভান্ডারেযেন সঞ্চিত হয়ে আছে মানব সভ্যতার প্রতিটি হৃদস্পন্দন।প্রাচীন শিলালিপি থেকে আধুনিক লিপির গ্রন্থিক স্থান হলো পাঠাগার।একটি গ্রন্থাগার মানুষের জীবন পাল্টে দেবার জন্য যথেষ্ট।গ্রন্থ কিংবা গ্রন্থাগার মানুষের মনের খোরাক জোগায়।গ্রন্থাগার হলো শ্রেষ্ঠ আত্মীয় যার সাথে সম্পর্ক সর্বদাই ভালো থাকে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন,’’এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে,প্রবাহ স্থির হইয়া আছে,মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পরিয়া আছে।“                  ...

জ্ঞানভিত্তিক গ্রামীণ পাঠাগার

সুুন্দর সমাজ গঠনে চাই জ্ঞানভিত্তিক গ্রামীণ পাঠাগার এ দেশ আমাদের, এ দেশের মাটি, বাতাস, পানি, খাদ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও প্রকৃতির সংস্পর্শেই আমারা বেড়ে উঠেছি। এই দেশ আমাদের জীবনের নিরাপত্তা দিয়েছে, দিয়েছে শিক্ষা লাভের সুযোগ। তাই আমাদের এই দেশকে সকলকে জানতে হবে, জানতে হবে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস, দেশপ্রেম জাগ্রত করে দেশ ও মানুষকে ভালোবাসতে হবে। দেশের জন্য কিছু করতে হলে প্রথমে আমাদের যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। শিক্ষিত জাতিই পারে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা শুধু পাঠ্যপুস্তকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, ভালো ফলাফল করার লক্ষ্য নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা দেওয়া হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নৈতিক শিক্ষার প্রচন্ড অভাব। বর্তমান প্রজন্ম নৈতিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। ফলে যুব সমাজ চলে যাচ্ছে বিপথে, মাদক, জুয়া সমাজটাকে ঘ্রাস করে ফেলছে, বৃদ্ধি পেয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন, খুনাখুনি। মানুষের মধ্যে সহযোগিতা ও সহনশীলতার বড়ই অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। যুব সমাজকে সৎ পথে ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তো...

বইপড়া আন্দোলন

বইপড়া আন্দোলন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশে বেড়েছে পাঠাগার সংখ্যা, বইও প্রকাশিত হচ্ছে প্রচুর; তবে কমেছে পাঠক। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্রন্থাগার বাড়লেও সেগুলোর আধুনিকায়ন হয়নি, লাগেনি প্রযুক্তির ছোঁয়া। সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতাও নগণ্য। পাঠককে পাঠাগারমুখী করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে তা ঝিমিয়ে পড়ে। বিশিষ্টজনরা বলছেন, প্রযুক্তিবান্ধব তরুণ প্রজন্মকে বইমুখী করতে গ্রন্থাগারগুলোকে আধুনিক করতে হবে, বইকে তাদের কাছে নিয়ে যেতে হবে, বই করতে হবে সহজলভ্য যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির বিশাল সংগ্রহশালায় গুটিকয়েক পাঠক। ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলায় গণগ্রন্থাগার আন্দোলন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। জ্ঞানের আলো ছড়াতে ব্যক্তি উদ্যোগে এগিয়ে আসে অনেকেই। ১৮৫১ সালে গড়ে ওঠে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি। এরপর বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠে গণগ্রন্থাগার। দেশে এখন ১০০ থেকে ১৬৬ বছরের পুরনো লাইব্রেরি আছে ৩৪টি। সেগুলো গড়ে উঠেছে ১৮৫১ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে। বাংলায় সাংগঠনিকভাবে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হলে গ্রন্থাগার আন্দোলনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ১৯২৪ সালে বেলগাঁও শহরে অনুষ্ঠিত ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ৩৯তম অধিবেশনে গণগ্র...

ইয়ংস্টার গণকেন্দ্র পাঠাগার

দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় আছে ৩০ হাজার বইয়ের ‘ইয়ংস্টার গণকেন্দ্র পাঠাগার’ । এসি পাঠাগারে আসে সানন্দা , ভারত বিচিত্রাও । স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের চাঁদার টাকায় গড়া এই পাঠাগার । বিরাট এই পাঠাগারটি আছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায়। উপজেলার রেলস্টেশনের পাশে তিনতলা ইয়ংস্টার ক্লাব ভবনের নিচতলা জুড়ে আছে বিশাল এক পাঠাগার। নাম ‘ইয়ংস্টার গণকেন্দ্র পাঠাগার’। পুরো পাঠাগারই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। ২০১৭ সালে পাঠকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ও আরামে বই পড়তে পারেন সে জন্য পাঠাগার এসি করা হয়েছে। তাও মানুষের দানে করা। ইয়ংস্টার ক্লাবের আজীবন সদস্য ও ঢাকা মিরপুরের দারুসসালাম থানার তদন্ত কর্মকর্তা এবং পার্বতীপুর সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ফারুকুন আলম এসির খরচ দিয়েছেন। পাঠাগারে মোট ছয় হাজার বই আছে। কবিতা, গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান, দর্শন সবই আছে। উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে আছে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’, ‘মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার’, ‘বাংলাদেশের গেরিলা যুদ্ধ’, ‘মুক্তিযুদ্ধের নির্যাতনের দলিল’, ‘মুক্তিযুদ্ধের অপ্রকাশিত কথা’, ‘প্রাক-পলাশী বাংলা’, ‘মুর্শিদকুলি খা’, ‘বাংলাদেশ ইতিহাস পরিক্রমা’, ‘স্বাধীনতা সংগ্রামের প...

বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার

‘বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয়নি’ চিরাচারিত কথাটি সকলেরই জানা। ঠিক তেমনি ইট-পাথরের এ ব্যস্ত নগরিতে বই পড়ার মতো সময় আমাদের হয়ে ওঠে না। ব্যস্ততার ঘোরে নিজেকে দেওয়ার সময় নেই নগরবাসীর হাতে। তবুও প্রয়োজন একটু ফুরসতের। যান্ত্রিকতা পরেও যে ফুরসত, তা বই পড়ে কাটাতে পছন্দ করেন অনেকে। আর তাদের জন্য বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বিশালাকার ও সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারটি। রয়েছে ৫০ হাজারের বেশি বইয়ের এক বিশাল সমারহ। পাঠাগারে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। এখানে নেই কোনো ব্যস্ত নগরীর ছোপ। সুনসান নীরবতা, কেউ গভীর মনোযোগে বই পড়ছে, কেউবা বই বাছাই করছে কোন বইটি পড়বেন। আবার কেউ চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে হারিয়ে যাচ্ছেন গল্প-কবিতা-উপন্যাসের গভীরে। শিশুদের জন্য নির্ধারিত করা আছে আলাদা জায়গা। দেখা মিলছে শিশুদের গল্পের নানান চরিত্রের ছবি দেখা, গল্পের বই পড়া।  কেউ বাবা-মায়ের হাত ধরে শিখছে বা মায়ের পড়ে শোনানো গল্পের মাঝে হারাচ্ছে সদ্য স্কুলে ভর্তি হওয়া শিশুরা। ৬ বছর বয়সী পাপড়ি মায়ের হাত ধরে এসেছে গ্রন্থাগারে। অর্ধগোছালো শব্দে জানাল নিজের অনুভূতি। সে বলে, ‘আমার এখানে আসতে মজা লাগে, খুব সুন্...

মুক্তবুদ্ধি চর্চার জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই

গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আবদুল্ল্যাহ হারুন পাশা বলেছেন, বই জ্ঞান ও আন্দোলনের প্রতীক। মুক্তবুদ্ধি চর্চার জন্য বই পড়ার বিকল্প নেই। আর তার পবিত্র জায়গা হলো লাইব্রেরী। তিনি বলেন, সরকার ই-লাইব্রেরী চালুসহ দেশে ৭০টি গণ গ্রন্থাগারকে জাতীয় গ্রন্থাগারের সাথে যোগসূত্র স্থাপনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি ১২ ডিসেম্বর (সোমবার) দুপুরে বৃহত্তর ঈদগাঁও পাবলিক লাইব্রেরী পরিচালনা কমিটি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা মাষ্টার মোজাম্মেল হক ফরাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার নুরুল আজিমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার বদিউল আলম, কক্সবাজার সরকারী গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরীয়ান বাবু টিংকু দে, জাতীয় মহিলাসংস্থার কক্সবাজারস্থ চেয়ারম্যান কানিজ ফাতেমা মোস্তাক। অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শক (নি.) খায়রুজ্জামান, ঈদগাঁও আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তারেক আজিজ, জেলা যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবির হিমু, রাজনীতিক ও লেখক কাফি আন...

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর     মুক্তিযুদ্ধের বীর সোনালী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের জাতীয় সাত বীরশ্রেষ্ঠের একজন সোনাইমুড়ীবাসীর গর্বের ধন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন। তাঁর নামে গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর বিগত ২০ জুলাই ২০০৮ সালে স্থাপন করা হয় তার নিজ গ্রামে। নোয়াখালী জেলা সদরথেকে ২৫ কিঃমিঃ উত্তর এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার সদর থেকে ৮ কিঃমিঃ পশ্চিমে দেওটি ইউনিয়নভুক্ত বর্তমান রুহুল আমিন নগর (বাগপাচরা) গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিনের পৈত্রিক ভূমিতে নির্মাণ করা হয় এ গ্রন্থাগার ও স্মৃতিজাদুঘর। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিনের পরিবারের সদস্যগণ কর্তৃকদানকৃত ০.২০ একর ভূমিতে ৬২.৯০ (বাষট্টি লক্ষ নববই হাজার টাকা) ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় আধুনিক সুযোগ- সুবিধা সম্বলিত এ গ্রন্থাগার ও স্মৃতিজাদুঘর। এ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে একটি সুপরিসর এবং সু-সজ্জিত পাঠ-কক্ষ ছাড়াও অভ্যর্থনা কক্ষ, তত্ত্ববধায়ক ওলাইব্রেরিয়ানের জন্য আলাদা কক্ষ রয়েছে।   বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন এর জীবনবৃত্তান্ত বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালের ...

নরসিংদী জেলার গ্রন্থাগারসমূহ

গ্রন্থাগারের তালিকা নরসিংদী জেলার গ্রন্থাগারসমূহ: নরসিংদী জেলায় জেলা সরকারি গ্রন্থাগার ছাড়াও ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বেসরকারি পর্যায়ে অনেক গ্রন্থাগার গড়ে উঠেছে। এক নজরে তালিকাভুক্ত বেসরকারি গ্রন্থাগারসমূহ: (তথ্যসূত্রঃ নরসিংদী জেলা সরকারি গ্রন্থাগার, তারিখ: ২২/০৪/২০১৮) ক্র. নং পাঠাগারের নাম ও ঠিকানা প্রতিষ্ঠাকাল বইয়ের সংখ্যা সদস্য সংখ্যা সভাপতি/সম্পাদক ১। জাগরণী পাঠাগার সিরাজনগর, রাধাগঞ্জ বাজার, রায়পুরা নরসিংদী। ১৯৬৮ খ্রিঃ ১৮০৫০ ১০৫ জন ডাঃ অছিউদ্দিন আহমদ সভাপতি মোবাইল: ০১৮২৪৮৯১০৬০ ২। ভাগদী আদর্শ পাঠাগার নরসিংদী সদর, নরসিংদী ১৯৯৮ খ্রিঃ ৭৩০ ১২০ জন মোঃ গোলজার হোসেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ০১৮১৮৫৭০২০৯ ৩। শিবপুর উপজেলা অফিসার্স ক্লাব পাঠাগার শিবপুর নরসিংদী ২০১...

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পাঠাগার তৈরি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পঠন দক্ষতা ও পড়ার অভ্যাস তৈরিতে ঢাকায় বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পাঠাগার তৈরি করা হয়েছে। রুম টু রিড বাংলাদেশ’র উদ্যোগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এসব পাঠাগার উদ্বোধন করেন। রুম টু রিড বাংলাদেশ’র কান্ট্রি ডিরেক্টর রাখী সরকার স্বাগত বক্তব্যে মানসম্মত শিক্ষার উন্নয়ন এবং শিক্ষালাভের জন্য শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ ও শিশুবান্ধব পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত রুম টু রিড বাংলাদেশ সাক্ষরতা কর্মসূচির আওতায় প্রায় তিন লাখ শিশু এবং এক হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি কাজ করেছে এবং প্রায় ৬০০০ পাঠাগার স্থাপন করেছে। শ্রেণিকক্ষ পাঠাগারগুলোতে নিজস্ব প্রকাশনায় এ পর্যন্ত ১০৩টি গল্পের বই প্রকাশসহ প্রায় ৮০ লাখ বই সরবরাহ করেছে রুম টু রিড বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন, রুম টু রিডের এসব কার্যক্রম সরকারি শিক্ষাকর্মকর্তা, বিদ্যালয়, অভিভাবক এবং শিশুদের কাছে অনেক প্রশংশিত হয়েছে। শিশুদের মানসম্মত শিক্ষার উন্নয়নে সরকার ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংগঠনের যৌথ কাজ করার ক্ষেত্রে রুম টু রিড একটি আদর্শ ও প্রশংস...

জাতীয় পাঠাগার আন্দোলন

জাতীয় পাঠাগার আন্দোলন Mostafa Kamal Researcher of DCPL & BDTP / Ph.D (Study) পাঠাগার করলাম শুরু, বই পড়ি পাঠাগার গড়ি শিরোণামে ২৫ অক্টোবর সারাদেশে জাতীয় পাঠাগার আন্দোলন (জাপাআ) উদ্বোধন করলো ১০টি পাঠাগার। পাঠাগারগুলো উদ্বোধন করেন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক ড. মতিউল আলম এবং নো ভ্যাট অন এডুকেশন আন্দোলনের উদ্যোক্তা ও জাতীয় পাঠাগার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা, সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আরিফ চৌধুরী শুভ। এসময় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পাঠাগার প্রতিনিধিদের হাতে সনদ ও বই তুলে দেন তারা। আশিক তমালের সঞ্চালনায় চ্যানেল ২৪ এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এবং পাঠাগার আন্দোলনের উপদেষ্ঠা পরিষদ সদস্য আরিফুল সাজ্জাত এর সভাপতিত্বে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৭ম তলায় আয়োজিত পাঠাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়দী। তবে প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগে তিঁনি অসুস্থতা অনুভব করায় প্রোগ্রামে উপস্থিত হতে পারেননি। প্রধান বক্তা ছিলেন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মতিউল আলম এবং প্রধান আলোচক ছিলেন কবি, সাংবাদিক ও ...

পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শিক্ষা উপকরণ

কমলগঞ্জে সৈয়দ আবদুর রহমান ও সুফিয়া রহমান ওয়েলফেয়ার এন্ড এডুকেশন ট্রাষ্ট এর পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শিক্ষা উপকরণ Mostafa Kamal Researcher of DCPL & BDTP / Ph.D (Study) কমলগঞ্জ উপজেলার পতন উষা ইউ.পি’র আহমদ নগর দাখিল মাদ্রাসার ‘আলহাজ্ব সুফিয়া রহমান স্মৃতি পাঠাগার’ সম্প্রসারণ এর লক্ষ্যে ২য় বারের মত ‘সৈয়দ আবদুর রহমান ও সুফিয়া রহমান ওয়েলফেয়ার এন্ড এডুকেশন ট্রাষ্ট’কর্তৃক ষ্টীলের বুক সেলফ ও কোরআন হাদিসের বইয়ের পাশাপাশি যুগোপযোগী বইসমগ্রী এবং মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় । পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শিক্ষা উপকরণ প্রদান অনুষ্ঠানে মিজান আনসারীর সঞ্চালনায় ও আহমদ নগর দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বদরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা জনাব সৈয়দ সোহেল আহমদ এর শশুড় মোঃ এস.আর. মশুদ আহমদ ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উনার ভগ্নিপতি সাবেক ইউ.পি চেয়ারম্যান (নাজিরাবাদ ইউনিয়ন) সুলেমান আহমদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দরগাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রাক্তন শিক্ষক মতিউর রহম...

সেলুনে বই পড়ার ব্যবস্থা

Image
সেলুনে বই পড়ার ব্যবস্থা রাজশাহী নগরীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে দেশের প্রথম সেলুন ভিত্তিক পাঠাগার। একুশে ফেব্রুয়ারি এই কার্যক্রমের সূচনা হয়। নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তেরখাদিয়া এলাকার ১০টি সেলুনে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু করেছে রাজশাহীর কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগার। সিটি করপোরেশনের ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার ফিতা কেটে ব্যতিক্রমী এই পাঠাগারের সূচনা করেন। কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সেলুন পাঠাগারের উদ্যোক্তা সোহাগ আলীর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মাসিদুল হাসান, তেরখাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত কাদির কুমকুম, বিশিষ্ট সমাজসেবক রবিউল ইসলাম, ব্যবসায়ী গাজী সারোয়ার জামিল, হীরা হেয়ার সেলুনের মালিক খালিদ হোসেন হীরা প্রমুখ। সেলুন ভিত্তিক বইপড়া কর্মসূচির উদ্যোক্তা সোহাগ আলী জানান, সেলুনে চুল-দাড়ি কাটতে এসে বেশরি ভাগ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অপেক্ষার সেই সময়ই বইপড়া অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষে অভিনব কায়দায় বই পড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছে কেন্দ্রীয় কিশোর পাঠাগার। আপনার বাড়ির পা...