পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা
পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা সূচনাঃ মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব।তার অনন্ত জিজ্ঞাসা,অসীম কৌতুহল।তার এই সকল প্রশ্নের সমাধান আর অন্তহীন জ্ঞান ধরে রাখে বই।শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে মানুষের সকল জ্ঞান জমা হয়ে রয়েছে বইয়ের ভেতর।অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হলো বই,আর সেই বইয়ের আবাসস্থল হলো পাঠাগার।মানুষের হাজার বছরের ইতিহাস পুঞ্জিভূত হয়ে রয়েছে পাঠাগারের একেকটি তাঁকের ভেতর।পাঠাগার হলো সময়ের খেয়াঘাট,যার মাধ্যমে মানুষ সময়ের পাতায় ভ্রমণ করতে পারে।এই বইয়ের ভান্ডারেযেন সঞ্চিত হয়ে আছে মানব সভ্যতার প্রতিটি হৃদস্পন্দন।প্রাচীন শিলালিপি থেকে আধুনিক লিপির গ্রন্থিক স্থান হলো পাঠাগার।একটি গ্রন্থাগার মানুষের জীবন পাল্টে দেবার জন্য যথেষ্ট।গ্রন্থ কিংবা গ্রন্থাগার মানুষের মনের খোরাক জোগায়।গ্রন্থাগার হলো শ্রেষ্ঠ আত্মীয় যার সাথে সম্পর্ক সর্বদাই ভালো থাকে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন,’’এখানে ভাষা চুপ করিয়া আছে,প্রবাহ স্থির হইয়া আছে,মানবাত্মার অমর আলোক কালো অক্ষরের শৃঙ্খলে কাগজের কারাগারে বাঁধা পরিয়া আছে।“ ...